মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট কী

ইন্টারনেট মার্কেটিং এর ভাষায় মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট বলতে বুঝায় লেখা, অডিও, ভিডিও এবং ছবি সংযুক্ত কন্টেন্ট। অনেকে শুধুমাত্র ভিডিও কন্টেন্টকেই মাল্টিমিডিয়া মনে করেন যেটা সঠিক নয়। ছবি এবং লেখা দিয়ে তৈরি কন্টেন্টকেও মাল্টিমিডিয়া বলা যেতে পারে।

ওয়েবে লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও এবং এনিমেশন এই পাঁচ মিলে মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট। একজন কন্টেন্ট ডেভলাপারকে অবশ্যই এই পাঁচ রকমের মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট চিনতে হবে এবং কোথায় কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সেটাও বুঝতে হবে।

পাঁচ রকমের মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট

  • লেখা

স্কুলের খাতায় উত্তম হস্তাক্ষরের জন্য বরাদ্দ ৩ নম্বর কখনো পাইনি। একবার প্রতিজ্ঞা করলাম এবার যে করেই হোক হাতের লেখায় নাম্বার পেতেই হবে। যেই ভাবা সেই কাজ। অংক খাতা টার্গেট করলাম। লেখা কম তাই কাটাকাটি কম হবে, খাতা পরিচ্ছন্ন রাখা যাবে।

পরিক্ষার প্রায় শেষদিকে এসে ছোট একটি অংক ভুল করে ফেলি। ৫ নাম্বারের অংকের আশা বাদ দিবো নাকি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হাতের লেখার ৩ নম্বর সেই চিন্তায় মাথা খারাপ অবস্থা। ইগোর সাথে যুক্তির সংঘর্ষ!

ওয়েবে কন্টেন্ট এর ক্ষেত্রেও উত্তম হস্তাক্ষর আর পরিচ্ছন্নতা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েবে হাতে লিখতে হয় না। বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে ফন্টের বাহ্যিক সৌন্দর্য্যের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা জরুরি।

লিখিত কন্টেন্ট এর প্রচলন এখনো পর্যন্ত সবচাইতে বেশি। ধীরে ধীরে অবশ্য লেখার চাইতে “রিচ মিডিয়া” কন্টেন্ট এর ব্যবহার বাড়ছে। যতো যা-ই হোক, ওয়েব থেকে লেখা কখনো হারিয়ে যাবে না।

মানুষ সুন্দরের পূজারী। উত্তম হস্তাক্ষরের কদর ছিলো, আছে এবং থাকবে। ওয়েবে সুন্দর ফন্ট ব্যবহার তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। তাবৎ ফন্টরাশি দুইভাগে বিভক্ত।

  • স্যান্স শেরিফ, মানে যে ফন্ট এর অলংকার নেই। পাশের চিত্রে দেখা যাচ্ছে স্যান্স শেরিফ ফন্ট এর নিচের অংশ একদম সোজা।
  • শেরিফ ফন্টের নিচের অংশ কিছুটা বের হয়ে আছে। সাদা গোল চিহ্নের ভেতর খেয়াল করলে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে। এটাকে অলংকৃত ফণ্ট বলা চলে।
Sans Font vs. Serif Font মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট কী mhmmdabutaleb.com

ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনে ফন্টের ভূমিকা অপরিসীম। কন্টেন্ট পাবলিশারদের ফন্ট নির্বাচন জ্ঞান হতে হবে টনটনে।

  • ছবি

প্রথমপাঠ বইয়ে প্রতিটা বর্ণ কিংবা অক্ষরের পাশে ছবি দেওয়া থাকে। ‘অ’ তে অজগর ‘আ’ তে আপেল শিখেছি আমরা সবাই। গুগল ট্রান্সলেট আসার আগে পর্যটকগণ কোন নতুন জায়গায় গিয়ে চিত্র এঁকে এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করতেন। সাদা কাগজে বিদেশী আঁখর কিংবা লাল সাহেবের মুখের বুলি না বুঝলেও ছবির ভাষা বুঝতে পারে সবাই।

যেকোন কিছু বুঝে বা না বুঝে শেখার জন্য চিত্রের তূলনা নাই। বিজ্ঞানীদের মতে, কাউকে বর্ণমালা শেখানোর চাইতে ছবি দেখিয়ে বস্তু বা প্রাণী প্রায় ৬০ হাজার গুণ সহজ।

নজরকাড়া ছবি হতে পারে স্বকীয় কন্টেন্ট অথবা কন্টেন্ট এর অংশ। কথায় আছে একটি ছবি হতে পারে হাজার কথার পরিপূরক। মানুষের মস্তিষ্ক লেখার চাইতে ছবি সংরক্ষণে বেশি পারদর্শী। এর পেছনে বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যাটি বেশ মজার। মস্তিষ্ক লেখাকে শুধু লেখা হিসেবে দেখে।

অন্যদিকে ছবি দেখে মাথায় একটা গল্প সাজায়। গল্পের সাথে কথা মিলিয়ে মস্তিষ্কে ধারণ করে তাই পুরো পদ্ধতিটি দ্রুততর। মানুষ পড়ার আগে চোখ বুলিয়ে নেয়। এই চোখ বুলানোর ফাঁকে ফাঁকে চোখ গিয়ে ছবিতেই আটকে যায়। ছবি যদি আগ্রহ উদ্দীপক হয় তবেই পড়ার পালা।

  • অডিও/শব্দ

ছোটবেলায় পুরো ক্লাশের সবাই সুর করে নামতা পড়তাম, চেষ্টা থাকতো কে কার চাইতে জোরে চিৎকার করতে পারে। তখনকার সময় টিভিতে প্রচারিত কিছু বিজ্ঞাপনের জিংগেল ঘুরতো মুখে মুখে। কিছু কিছু কার্টুনের শুরুর মিউজিক শুনলেই বুঝে ফেলতাম কি হতে যাচ্ছে। এই স্মৃতিগুলো আমাদের সবার আছে। আচ্ছা এখনো কি কোন কোন জিংগেল গুনগুন করা হয়? কমেন্টে জানান তো দেখি কমন পরে কিনা।

মানুষের সুর সখ্যতা জন্ম জন্মান্তরের। মিউজিক ব্যাপারটা মনে দাগ কাটে খুব সহজে। এইজন্য এটার ব্যাবহার আগেও জনপ্রিয় ছিলো এখনো আছে। কন্টেন্টে মিউজিক বা কথা না থাকলে ঠিক মজাটা আসে না। মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট এর অন্যতম উপাদান তাই সুর-সংগীত।

অডিও নিজেই কন্টেন্ট হতে পারে, যেমনঃ অডিওবুক। অডিও ছাড়া ভিডিও এখন কল্পনাই করা যায় না। গানবাদ্য না থাকুক, একটুখানি কথা হলেও থাকা চাই। কিন্তু কি আচানক ব্যাপার, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রায় ৮০ শতাংশ ভিডিও চলে “মিউট” বা বধির অবস্থায়। তবু অডিও ছাড়া ভিডিও এ যুগে ভাবা যায় না।

  • ভিডিও

বিটিভিতে পুনঃপ্রচার বলে একটা বিষয় ছিলো। কিছু কিছু জনপ্রিয় অনুষ্ঠান খুব আয়োজন করে পুনরায় প্রচার করা হতো। পত্রিকার পাতায় অনুষ্ঠান সূচী ছাপানো হতো। সেটা ধরে ধরে অপেক্ষা করতাম কখন পছন্দের অনুষ্ঠান পুনঃপ্রচার করবে। সন্ধ্যার পর দেহ থাকতো পড়ার টেবিলে আর মন ছুটে যেতো টিভিতে।

এছাড়া আলাদাভাবে অনুষ্ঠান সূচী কিনতেও পাওয়া যেত। এখনো অনুষ্ঠানসূচীর পিডিএফ পাওয়া যায় বিটিভির ওয়েবসাইটে। টিভি দেখা নিয়ে কতো না নিয়ম কানুন ছিলো। ঘড়ি ধরে টিভি চলতো বাসায়। কিছু কিছু বাসায় বাচ্চারা বাবা মায়ের সাথে টিভি দেখতে পারতো না।

কিছুদিন পরপর পাড়ায় গুজব উঠতো লাইসেন্সের জন্য অমুক বাসার ২৪ ইঞ্চি রংগীন টিভিটা নিয়ে গেলো, তমুককে জেলে ভরলো!

টিভি দেখতে কিন্তু এখনো লাইসেন্স লাগে। লাইসেন্স সংশ্লিষ্ট সব তথ্য পাবেন এখানে। লাইসেন্সবিহীন টেলিভিশন বাজেয়াপ্ত করার জন্য লাইসেন্স পরিদর্শকের পদটিও আছে এখনো।

আর ছিলো ভিসিআর (VCR)। মাঝে মাঝে বাড়ির সবাই মিলে চাঁদা তুলে ভিসিআর আর রংগীন টিভি ভাড়া করে আনতো। সারারাত চলতো একের পর এক বাংলা এবং হিন্দি সিনেমা!

আমাদের ভিডিও কন্টেন্ট দেখার শুরুটা এভাবে হলেও এখন প্রতিনিয়ত ভিডিও দেখা হয়। শুধু ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভিসের সংখ্যা এখন অনেক অনেক বেশি। ভিডিওর জনপ্রিয়তায় নতুন মাত্রা দিয়েছে লাইভ ভিডিও। মানুষ যেকোন কিছু পড়ার চাইতে ছবি দেখতে বেশি উপভোগ করে। আর ভিডিও উপভোগ করে সবচাইতে বেশি।

ভিডিওতে চমক যতো বেশি দর্শকের আগ্রহ ততো বেশি। ছোট ভিডিওর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পাশাপাশি ওয়েব কেন্দ্রিক নাটক, সিনেমা, গানের চাহিদাও তুংগে। বিজ্ঞাপনী ভিডিও প্রচার এখন অনেক সহজ তাই কোম্পানীগুলো পিছিয়ে নেই।

স্ক্রিপ্ট, ভয়েজ, মিউজিক, গ্রাফিক্স আর চিত্রায়ন সব মিলিয়ে ভিডিও কন্টেন্ট একেবারে পরিপূর্ণ প্যাকেজ।

  • এনিমেশন

টম আর জেরির মধ্যে জেরিকেই সবসময় ভালো লাগতো। এতো বড় একটা বিড়ালকে নাস্তানাবুদ করে বেড়ায় যে ইঁদুর তাকে ভালো লাগবে এটাই স্বাভাবিক। টমের আরেকটা স্বভাব খুবই বিরক্তিকর ছিলো। সে ছোট ছোট কিউট পাখিদের খেতে চাইতো।

বড় হওয়ার পর দেখি আমি নিজেও টমের মতো। ছোটদের কাছে হেরে যাই আর ছোট ছোট পাখি (কোয়েল) খেয়ে ফেলি। বাচ্চাদের সাথে তর্কে কোনদিন জিততে পারলাম না। আমার এক কাজিন আছে, তার বয়স যখন তিন বছর তখন থেকে তার সাথে তর্কে পারি না। কথা বলা শিখে উঠতে না উঠতেই আমাকে তর্কে হারায়। অথচ পরিতাপ, আমি তার অন্তত কুঁড়ি বছর আগে কথা শিখেছি। কি জানি! হয়তো আদৌ শিখিনি।

এই এনিমেশনের ব্যাপারটা ভিডিওর চাইতে ইন্টারেস্টিং। আগে এনিমেশন হতো ছোটদের জন্য। বর্তমানে বড়দের জন্য তৈরি এনিমেশনের বাজার বিশাল। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এর পেছনে স্টিভ জবস এর প্রতিষ্ঠা করা পিক্সার এনিমেশনের ভূমিকা সবচাইতে বেশি।

ডিজনীর প্রিন্সেস এনিমেশন থেকে বের হয়ে জীবনমূখী এনিমেটেড মুভির যুগে পদার্পন সোজা ব্যাপার না। কার্টুন যে সিরিয়াস হতে পারে সেটা তো আগে ভাবাই যেত না। কার্টুন ছবিগুলো এখন অস্কার দাপড়ে বেড়াচ্ছে।

এনিমেশন কন্টেন্ট পাঁচ রকমের হতে পারে।

[sociallocker]
  • হাতে আঁকা এনিমেশন

কাগজে চিত্র এঁকে উল্টো পাশ থেকে আলোক প্রক্ষেপণের মাধ্যমে তৈরি হতো হাতে আঁকা এনিমেশন।

ওয়াল্ট ডিজনীর শুরু হয়েছিলো হাতে আঁকা এনিমেশন দিয়ে।

  • দ্বিমাতৃক এনিমেশন

দ্বিমাতৃক মানে হলো যেকোন বস্তুর শুধু দুটি তল পর্দায় দেখানো হবে।

টম এন্ড জেরি, ডোনাল্ড ডাক ইত্যাদি সবই ছিলো দ্বিমাতৃক এনিমেশন।

  • ত্রিমাতৃক এনিমেশন

সময়ের সবচাইতে আধুনিক এনিমেশন প্রযুক্তি। বর্তমানের অধিকাংশ এনিমেশন সিনেমা তৈরি হয় ত্রিমাতৃক এনিমেশন প্রযুক্তির সহায়তায়।

আইস এইজ মুভি ফ্র্যাঞ্চাইজির স্ক্রাট (Scrat) নামক কাঠবিড়ালী চরিত্রটি আমার খুব পছন্দের। থ্রিডি এনিমেশনে করা এমন দূর্দান্ত চরিত্রের এখন অভাব নেই। হলিউডের সুপার স্টাররাও এখন এইসব চরিত্রের নেপথ্য কাজ করেন।

  • মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন

মোশন মানে গতি। পর্দায় দেখানো বস্তুর মাঝে গতি সঞ্চার করে যে এনিমেশন তৈরি হয় তাকেই মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন বলা চলে।

বর্তমানে যেকোন ধরনের প্রচার প্রচারনার কাজে খুব বেশি দেখা যায় এই এনিমেশন।

  • স্টপ মোশন

বিটিভির মনের কথায় যে পাপেট শো হত অথবা সিসিমপুর, এগুলো ছিলো পাপেট শো। পাপেট শো এর মতো করেই সুতো বা কাঠির সাহায্যে চরিত্রকে নড়াচড়া করে অথবা যেকোন বস্তুকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিয়ে যে এনিমেশন হয় সেটা স্টপ মোশন।

[/sociallocker]

স্টপ মোশনের প্রক্রিয়াটা সোজা, অনেকটা হাতে আঁকা এনিমেশনের মতোই। এখানে হাতে আঁকা ছবির পরিবর্তে কাঠ, তুলা অথবা মাটির তৈরি পুতুল ব্যবহার করে চরিত্রায়ন করা হয়।

ওয়েবে লেখার পাশাপাশি ভিডিও আর ছবি ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন সেই কন্টেন্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট বলতে এগুলো সবগুলোকেই বোঝানো হয়ে থাকে। আপনাদের জন্য কুইজ। এই ব্লগে আরেক ধরনের মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট ব্যবহার করেছি, যেটার কথা কোথাও উল্ল্যেখ করি নি। বলুন তো কি সেটা? আপনার উত্তর জানান কমেন্টে।

এ লেখা ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর যদি পরের লেখা মিস করতে না চান তাহলে ইমেইল নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন



  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  • Md. Rakibul Hasan says:

    আপনি এখানে যে কন্টেন্টটি ব্যবহার করেছেন সেটি হচ্ছে “ওয়েব লেখা”। আর এই কন্টেন্ট এর ব্যাপারে আপনি এখানে আলচনা করেন নি। 😊

  • মোঃ রাকিবুল হাসান says:

    আপনি এখানে যে কন্টেন্টটি ব্যবহার করেছেন সেটি হচ্ছে “ওয়েব লেখা”। আর এই কন্টেন্ট এর ব্যাপারে আপনি এখানে আলচনা করেন নি। 😊

    • Abu Riyad says:

      অনেক ধন্যবাদ ভাই। আরেকটু ভালোভাবে দেখেন ভাই, এখনো সুযোগ আছে

      • মোঃ রাকিবুল হাসান says:

        তার মানে উত্তর ভুল 😥😞

        • Abu Riyad says:

          আবার চেষ্টা করেন ভাই, পুরো ব্লগটা আরেকটু ভালোভাবে পড়েন, খেয়াল করলেই পারবেন ইন শা আল্লাহ

  • মোঃ রাকিবুল হাসান says:

    আপনি যেই কন্টেন্ট ব্যবহার করেছেন সেটি হচ্ছে “ব্লগিং”। আর ব্লগিং মুলত লেখা,ভিডিও,অডিও এর সমন্বয়ে তৈরী হয়ে থাকে।

    • Abu Riyad says:

      ভাইয়া, আরেকটু সহজ করে দেই।

      আমি সেই “মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট”টি এই ব্লগে ব্যবহার করেছি মানে কণ্টেন্টটি “এক রকম” মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট।

      দেখেন তো বুঝেন কিনা 😉

  • Ayesha Akter says:

    আপনি খবই সহজ ভাষায় মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট বুঝিয়েছেন। আপনার সব উদাহরণ আমার চোখের সামনে ভাসছিল পড়ার সময়। তবে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে আপনি যা লিখেছেন তার ছবি, ভিডিও আর এনিমেশনও দিয়ে দিয়েছেন যেটা কন্টেন্ট বুঝতে সাহায্য করেছে।

    • Abu Riyad says:

      ধন্যবাদ। নিয়মিত লেখা পেতে ইমেইল নোটিফিকেশন চালু করে রাখতে পারেন

  • >
    Scroll to Top